বি’/দ্যুতের চ’ড়া বিলকে চিরতরে টা-টা বাই..More

Image
  প্রতি মাসে বিদ্যুতের বিল হাতে পাওয়ার পর অনেকেরই চোখ কপালে ওঠে। ফ্যান, লাইট, ফ্রিজ, টিভি, ওয়াশিং মেশিনসহ প্রয়োজনীয় বৈদ্যুতিক যন্ত্র ব্যবহার করলেও মাস শেষে বিল প্রত্যাশার চেয়ে অনেক বেশি চলে আসতে পারে। তবে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ অপচয় কমিয়ে বিলও অনেকটা নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। 🔌 ব্যবহার না করলে সুইচ বন্ধ রাখুন অনেকেই টিভি, কম্পিউটার, চার্জার কিংবা অন্যান্য যন্ত্র ব্যবহার শেষে শুধু রিমোট দিয়ে বন্ধ করেন। কিছু ডিভাইস স্ট্যান্ডবাই অবস্থায় সামান্য বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারে। তাই সম্ভব হলে ব্যবহার শেষে সুইচ বা পাওয়ার স্ট্রিপ বন্ধ করে দিন। 💡 অপ্রয়োজনীয় লাইট ও ফ্যান বন্ধ করুন ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট ও ফ্যান বন্ধ করার অভ্যাস করুন। দিনের বেলায় পর্যাপ্ত আলো থাকলে জানালা দিয়ে আসা প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করা যেতে পারে। দীর্ঘ সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবে ফ্যান বা লাইট চালু রাখলে মাসের শেষে তার প্রভাব বিলের ওপর পড়তেফ্রিজ ব্যবহারে সতর্কতা ফ্রিজ সাধারণত সারাক্ষণ চালু থাকে, তাই এর ব্যবহারেও কিছু বিষয় খেয়াল রাখা জরুরি। বারবার দরজা খোলা, গরম খাবার সরাসরি ফ্রিজে রাখা কিংবা দরজার রাবার ঠিকমতো ...

সৌদিতে প্রতি রাতে বাবা ছেলে এক স’ঙ্গে আমাকে খা’ইছে আমি না করলে...

 


সৌদিতে কি করা হয় নারীদের সাথে? প্রতি রাতে বাবা ছেলে এক সঙ্গে আমাকে খাইছে আমি না করলে অনেক মারধর করত! প্রকাশিত ভাইরাল ১৩ মিনিটের ভিডিও দেখুন কমেন্টস থেকে!


নারীদের প্রতি যেকোনো ধরনের শারীরিক, মানসিক বা যৌন নির্যাতন মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। বিশ্বের যেকোনো দেশের মতো সৌদি আরবেও এমন ঘটনার অভিযোগ মাঝে মাঝে প্রকাশ্যে আসে, যদিও এগুলো পুরো দেশের সমাজ বা জনগণের প্রতিনিধিত্ব করে না। অনেক নারী পারিবারিক সহিংসতা, জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন, কর্মক্ষেত্রে শোষণ বা ভয়ের কারণে দীর্ঘদিন নীরব থাকেন।


যদি কোনো নারীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে যৌন সম্পর্ক করতে বাধ্য করা হয়, বা পরিবারের একাধিক সদস্য মিলে তাকে নির্যাতন করে, তবে সেটি অত্যন্ত গুরুতর অপরাধ। এমন নির্যাতনের শিকার ব্যক্তির শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব পড়তে পারে। তাই নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া, বিশ্বস্ত ব্যক্তি বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সাহায্য চাওয়া এবং চিকিৎসা গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে সমাজকে সচেতন হতে হবে এবং ভুক্তভোগীদের দোষারোপ না করে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে। প্রতিটি মানুষের নিরাপদ, সম্মানজনক ও সহিংসতামুক্ত জীবনযাপনের অধিকার রয়েছে। নির্যাতনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং মানবাধিকার রক্ষায় সবার সম্মিলিত ভূমিকা অপরিহার্য।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more