Posts

Showing posts from September, 2026

২০০৩ সালে পূর্ণিমাকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন প্র’ধানম’ন্ত্রী তারেক রহমান, সেখানে লেখা ছিল..more

Image
    ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী দিলারা হানিফ পূর্ণিমা তাঁর ক্যারিয়ারের একটি বিশেষ স্মৃতি শেয়ার করেছেন। সম্প্রতি এক পডকাস্টে তিনি জানান, ২০০৩ সালে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমা দেখার পর তৎকালীন বিএনপির নেতা তারেক রহমান তাঁকে একটি শুভেচ্ছাবার্তা সম্বলিত চিঠি পাঠিয়েছিলেন। পূর্ণিমার ভাষ্য অনুযায়ী, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের গ্যারিসন সিনেমা হলে সপরিবারে ‘মনের মাঝে তুমি’ সিনেমাটি দেখেছিলেন তারেক রহমান। সিনেমাটি দেখে মুগ্ধ হয়ে তিনি পূর্ণিমাসহ সিনেমাটির অভিনয়শিল্পীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে চিঠিটি পাঠান। চিঠিতে সিনেমাটির প্রশংসা করে লেখা ছিল—“এ রকম সিনেমা নিয়মিতভাবেই নির্মাণ হওয়া উচিত। আমরা যেন আমাদের ভালো কাজের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন রাখতে পারি”— এমন কামনাও তিনি ব্যক্ত করেছিলেন বলে পূর্ণিমা জানিয়েছেন। পূর্ণিমা আরও জানান, সেই সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বর্তমানের মতো বিস্তার ছিল না। তাই চিঠিটি পেয়ে তাঁর মা পরিচিত সাংবাদিকদের দেখিয়েছিলেন। অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তারেক রহমানের এই শুভেচ্ছা ও সিনেমার প্রতি ইতিবাচক মনোভাব তাঁদের কাছে বেশ আনন্দের ও অনুপ্রেরণার বিষয় ছিল। বিষয়টি নিয়ে পূর্ণিমার স্মৃতিচা...

হায়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে! স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের আপন...See more

Image
   হায়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে! স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের  হয়রে মানুষ কেমনে পারলো এই কাজ করতে! স্বামী বাসায় না থাকায় নিজের আপন চরিত্র: মালিহা (স্ত্রী), রাশেদ (স্বামী) এবং তাদের ৪ বছরের সন্তান আরিয়ান। প্রেক্ষাপট: রাশেদ একজন দিনমজুর। তীব্র গরম আর কঠোর পরিশ্রমের কারণে হঠাৎ একদিন সে কাজে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ে। কোনো রকমে সহকর্মীদের সাহায্যে বাড়ি ফিরে সে বিছানায় ঢলে পড়ে। ঘটনা: ঘরে চিকিৎসার জন্য কোনো টাকা ছিল না, এমনকি রাতের খাবারের চালটুকুও বাড়ন্ত। স্বামীর এমন অসহায় অবস্থা দেখে মালিহা নিজেকে আর ধরে রাখতে পারেনি। সে রাশেদকে জড়িয়ে ধরে হাউমাউ করে কেঁদে ওঠে। সে রাশেদের বুকে মাথা রেখে বলতে থাকে, "তুমি এভাবে ভেঙে পড়লে আমাদের কী হবে? এই অবুঝ সন্তানকে নিয়ে আমি কোথায় দাঁড়য় "কষ্টের মুহূর্ত: রাশেদ নিজেও অসুস্থ শরীরে চোখ দিয়ে জল ফেলছিল কিন্তু স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা তার জানা ছিল না। ঠিক তখনই নিচে বসা তাদের ছোট্ট সন্তান আরিয়ান ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে দেখছিল। সে বুঝতে পারছিল না তার বাবা-মা কেন কাঁদছে, কিন্তু বাবা-মার চোখের জল দেখে তার ছোট্ট মনেও এক অজানা ভয়ের সৃষ্...

কী পরিমা’ণ অ’মানুষ এরা এক’বার ভাবুন! এরা ৩ ভা’ইয়ে মিলে নিজে’র আপ’ন...more

Image
    কী পরিমাণ অ’মানুষ হলে একজন মানুষ এমন কাজ করতে পারে, একবার ভেবে দেখুন! এরা ৩ ভাই মিলে নিজের আপন পরিবারের একজনের সঙ্গে এমন আচরণ করেছে, যা মানবতা ও বিবেককে প্রশ্নবিদ্ধ করে। যে সম্পর্কে থাকা উচিত ছিল ভালোবাসা, সম্মান ও নিরাপত্তা, সেখানে যদি জন্ম নেয় লোভ, নিষ্ঠুরতা কিংবা নির্যাতন, তাহলে তা শুধু একটি পরিবারের নয়, পুরো সমাজের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। পরিবার হলো একজন মানুষের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল। কিন্তু যখন সেই আশ্রয়স্থলই ভয়, কষ্ট ও অবিচারের কারণ হয়ে দাঁড়ায়, তখন তা অত্যন্ত দুঃখজনক। এমন ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সম্পর্কের মূল্যবোধ, নৈতিক শিক্ষা এবং মানবিকতা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনো ধরনের অন্যায়, নির্যাতন বা অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে সমাজকে সচেতন হতে হবে এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ অন্যায়ের নীরব সমর্থনও এক ধরনের অপরাধ। মানবিকতা, ন্যায়বিচার এবং পারস্পরিক সম্মানই পারে এমন ঘটনা প্রতিরোধ করতে।

স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...See More

Image
    স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে দুই বছর থাকার পর জানা গেল তারা আসলে আপন...See More দুই বছর ধরে স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ে গোপনে বসবাস করছিল তারা। বাইরে থেকে দেখলে মনে হতো, অন্য সব দম্পতির মতোই তাদের স্বাভাবিক সংসার। একই ঘরে থাকা, একসঙ্গে চলাফেরা—কোনো কিছুতেই সন্দেহের সুযোগ ছিল না এলাকাবাসীর। কিন্তু হঠাৎ একদিন তাদের ঘিরে এমন একটি তথ্য সামনে আসে, যা জানার পর পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী জানতে পারেন, এতদিন তারা যে পরিচয় দিয়ে বসবাস করছিলেন, সেটি আসলে তাদের প্রকৃত পরিচয় নয়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় নানা আলোচনা ও প্রশ্ন। কীভাবে দুই বছর ধরে তারা এই পরিচয় গোপন রেখেছিলেন? কেনই বা নিজেদের আসল পরিচয় প্রকাশ করেননি? আর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন—এতদিন পর কীভাবে এলাকাবাসীর কাছে তাদের আসল সত্যটি ধরা পড়ল? ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া তথ্যের সবটুকু সত্য নাও হতে পারে। তাই যাচাই ছাড়া কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ বা পরিচয়সংক্রান্ত দাবি বিশ্বাস করা উচিত নয়। ঘটনার পেছনের আসল রহস্য কী, কীভাবে সত্যটি প্রকাশ্যে এলো এবং এরপর তাদের জীবনে কী ঘটেছে—...

অবশেষে জানা গেল তনির দ্বিতীয় স্বা/মীর সমস্ত স'/ম্পত্তি ২ বছর আগেই...See More

Image
    তনির দ্বিতীয় বিয়ে ও পারিবারিক জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই নতুন করে দাবি উঠেছে, তার দ্বিতীয় স্বামীর নামে থাকা গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তির বড় একটি অংশ নাকি দুই বছর আগেই অন্যত্র হস্তান্তর করা হয়েছিল। বিষয়টি সামনে আসার পর পুরো ঘটনা নিয়ে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। ভাইরাল তথ্য অনুযায়ী, বিয়ের পর সম্পত্তি নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হলেও প্রকৃত চিত্র ছিল ভিন্ন। সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির মালিকানা, হস্তান্তর এবং উত্তরাধিকার নিয়ে আগে থেকেই কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। ফলে বিয়ের পর তনি ওই সম্পত্তির মালিক হবেন—এমন ধারণা থাকলেও বাস্তবে বিষয়টি এতটা সরল নয়। তবে সম্পত্তি কার নামে ছিল, কখন হস্তান্তর করা হয়েছে এবং আইনগতভাবে হস্তান্তরটি বৈধ কি না—এসব বিষয় দলিলপত্র যাচাই ছাড়া নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট বা ভিডিওতে প্রচারিত তথ্যের ভিত্তিতে কারও সম্পত্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোও ঠিক নয়। আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি জীবিত অবস্থায় নিজের সম্পত্তি বৈধভাবে বিক্রি, দান বা হস্তান্তর করে থাকলে পরবর্তীতে উত্তরাধিকার নিয়ে হিসাব ভিন্ন হতে...

2 জন ডাক্তার এবং ৫ জন নার্স-এর দীর্ঘ ৫৯ মিনিটের চেষ্টার পর...See more

Image
    কখনো কখনো জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইটা বাইরে নয়, নিজের শরীরের ভেতরেই হয়।চিকিৎসকদের নিরলস চেষ্টা, ধৈর্য আর দক্ষতার কারণেই অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করা যায়। প্রতিটি সফল চিকিৎসার পেছনে থাকে অসংখ্য মানুষের পরিশ্রম, সময় আর দায়িত্ববোধ।স্যালুট সকল চিকিৎসক ও নার্সদের, যারা প্রতিদিন মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।.: ছবির ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য যাচাই করা হয়নি। তাই নিশ্চিত তথ্য পাওয়ার আগে কোনো নির্দিষ্ট দাবি করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।

স্বামী প্রবাসে থাকায়, প"র"কী"য়া করলেন স্বামীর আপন...See More

Image
    রাজশাহীতে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ! 😱 প্রবাসে থাকা ভাতিজার সংসারে নেমে এলো যেন অপ্রত্যাশিত এক ঝড়! অভিযোগ উঠেছে, ভাতিজা বিদেশে থাকার সুযোগে তারই স্ত্রীকে ঘিরে চাচার সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনা সামনে এসেছে। বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় শুরু হয়েছে নানা আলোচনা ও গুঞ্জন। স্বামীর অনুপস্থিতিতে পরিবারের একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যের সঙ্গে এমন সম্পর্কের অভিযোগ সত্যিই অনেকের কাছে অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। স্থানীয়দের মধ্যে কেউ বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন, আবার কেউ বলছেন—ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন না হওয়া পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক হবে না। ঘটনাটি রাজশাহীর বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি বা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাটিকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে ধরে নেওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই হওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে প্রবাসে থাকা স্বামী, অন্যদিকে নিজের ঘরেই এমন অভিযোগ—সব মিলিয়ে বিষয়টি নিয়ে এলাকায় তৈরি হয়েছে তীব্র কৌতূহল। আসলে কী ঘটেছিল? অভিযোগের পেছনে কতটা সত্যতা রয়েছে? নাকি পুরো বিষয়টিই ভিন্ন কোনো ঘটনার ভুল ব্যাখ্যা? ঘটনার সত্যতা জানতে অপেক্ষা ...

নিজের ছেলে কেমনে পাললো...See More

Image
    নিজের ছেলে হঠাৎ করে কোথায় চলে গেল—এমন প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। প্রতিদিনের মতো স্বাভাবিকভাবেই সময় কাটছিল। কিন্তু একপর্যায়ে ছেলেকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়। পরিবারের সদস্যরা আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার সন্ধান করার চেষ্টা করেন। আশপাশের এলাকাতেও খোঁজ নেওয়া হয়। ছেলেটি কেন বাড়ি থেকে বের হয়েছিল, কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না এবং সে কোথায় গেছে—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন স্বজনরা। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া পোস্টে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য, স্থান ও সময় স্পষ্ট নয়। তাই ছেলেটি ঠিক কীভাবে বা কেন বাড়ি থেকে চলে গেছে—তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। এ ধরনের ঘটনায় দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো এবং পরিবারের সদস্যদের শান্ত থেকে খোঁজ চালানো গুরুত্বপূর্ণ। কোনো তথ্য পাওয়া গেলে যাচাই করে সংশ্লিষ্ট পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করাই উচিত। আপনার কী মনে হয়, ছেলেটি কেন হঠাৎ বাড়ি থেকে চলে গেল? আপনার মতামত কমেন্টে জানান। .

কুমিল্লায় নতুন বিবাহ করে স্বামী অনেক খুশি কিন্তু ১৫ দিন পরে জানতে পারে নতুন বউ…. See more

Image
    ভালোবাসা আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের পর নতুন বউকে নিয়ে সুখের সংসার গড়ার পরিকল্পনা করেছিলেন স্বামী। প্রথম কয়েকদিন সবকিছুই স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর একটি তথ্য সামনে আসতেই পুরো পরিবার হতবাক হয়ে যায়। বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় ভুল বোঝাবুঝি, পারিবারিক আলোচনা এবং নানা ধরনের গুঞ্জন। স্বামী প্রথমে বিষয়টি বিশ্বাস করতে না পারলেও পরে দুই পরিবারের সদস্যরা বসে পুরো ঘটনা খতিয়ে দেখার সিদ্ধান্ত নেন। একপর্যায়ে জানা যায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া অনেক তথ্যই ছিল অতিরঞ্জিত এবং প্রকৃত ঘটনার সঙ্গে পুরোপুরি মিল ছিল না। পরিবারের প্রবীণ সদস্যরা সবাইকে ধৈর্য ধরে বিষয়টি যাচাই করার পরামর্শ দেন। পরে আলোচনার মাধ্যমে অনেক ভুল ধারণার অবসান ঘটে এবং উভয় পরিবার শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করে। এই ঘটনা আবারও মনে করিয়ে দেয়—গুজব বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত না নিয়ে সত্যতা যাচাই করা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। .

অবশেষে বে'রিয়ে আসলো সত্য ঘ'টনা, সোহেল বলে আমি একা করি নাই আমার সা...See More

Image
    রান্নাঘর থেকে শব্দ শুনছি। মনে করছি, পাশের ফ্ল্যাটের বাচ্চা চিৎকার দেয়। আমার মেয়ে যে চিৎকার দিতেছে, আমি সেটা বুঝতে পারি নাই। মনে করেছি, ওর সাথে বড় মেয়ে গেছে, আমার মেয়ে চিৎকার দিবো কেমনে?’ কথাগুলো বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন রাজধানীর পল্লবীতে ধর্ষণের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার শিশুটির মা। গতকাল বুধবার দুপুরে পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১ নম্বরে শিশুটির বাসায় গিয়ে তার মা, বড় বোনসহ স্বজনদের সঙ্গে কথা হয়। গত মঙ্গলবার এই ভবনের অন্য একটি ফ্ল্যাটের বাসিন্দা সোহেল রানার বাসায় ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় দ্বিতীয় শ্রেণির ওই শিশুকে। দুপুরে বাড়ির সামনে গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকারীদের জনসমক্ষে ফাঁসির দাবিতে ব্যানার ঝুলছে। স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে আছে, কেউ কেউ ক্ষোভ জানাচ্ছে। নিহত শিশুটির পরিবার যে ফ্ল্যাটে থাকে, সেটির দরজা খুলতেই একটি কক্ষ। ডান দিকের ভেতরে আরেকটি কক্ষ। অভিযুক্ত সোহেলের বাসা তাদের ফ্ল্যাটের বিপরীতে। ওই বাসার দরজা তালাবদ্ধ দেখা যায়। দরজার সামনে কয়েকটি স্যান্ডেল পড়ে রয়েছে। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর নিহত শিশুটির বাসায় গিয়ে কথা হয় তার মা ও বড় বোনের সঙ্গে। শিশুটির মা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সক...