তনি তৃতীয় বিয়ের এক বছর পরে জানতে পারে তার ২য় স্বামীর সমস্ত সম্পত্তির...See More
মেঘলা ছিল খুবই শান্ত স্বভাবের একটি মেয়ে। পরিবারের সবার আদরের সন্তান। কলেজে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো আর নিজের স্বপ্ন নিয়ে ব্যস্ত থাকত সে।
একদিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার পরিচয় হয় এক ছেলের সঙ্গে। প্রথমে সাধারণ কথা, তারপর ধীরে ধীরে নিয়মিত যোগাযোগ। ছেলেটি এমনভাবে কথা বলত যে মেঘলা তাকে খুব বিশ্বাস করতে শুরু করে। কয়েক মাসের মধ্যেই তাদের সম্পর্ক গভীর হয়ে যায়।
একদিন ছেলেটি মেঘলাকে সামনাসামনি দেখা করার জন্য অনুরোধ করে। অনেক দ্বিধা থাকলেও শেষ পর্যন্ত মেঘলা রাজি হয়ে যায়। পরিবারের কাছে কলেজে যাওয়ার কথা বলে সে বাড়ি থেকে বের হয়।
ছেলেটি তাকে শহরের এক নির্জন জায়গায় নিয়ে যায়। সেখানে গিয়ে মেঘলা বুঝতে পারে, যাকে সে এতদিন বিশ্বাস করেছে, বাস্তবে সে মোটেও তেমন মানুষ নয়। ছেলেটির আচরণ ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকে। পরিস্থিতি এমন হয়ে দাঁড়ায় যে মেঘলা নিজেকে খুব অসহায় মনে করতেসেদিনের সেই ঘটনা তার জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে, শুধু ফোনে কথা বলে বা অনলাইনে পরিচয় হয়ে কাউকে পুরোপুরি বিশ্বাস করা যায় না। মানুষের আসল পরিচয় জানতে সময় লাগে।
বাড়ি ফিরে মেঘলা অনেক ভেঙে পড়েছিল। কিন্তু সে হার মানেনি। নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে জীবন শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। আজ সে অন্যদেরও সতর্ক করে বলে, “বিশ্বাস করার আগে মানুষকে ভালোভাবে চিনে নাও। একটি ভুল সিদ্ধান্ত পুরো জীবন বদলে দিতে পারে।”
গল্পের শিক্ষাঃ অনলাইনে পরিচিত কারও সঙ্গে দেখা করতে গেলে সবসময় পরিবারের কাউকে জানাও, নিরাপদ জায়গা বেছে নাও এবং নিজের নিরাপত্তাকে সবার আগে গুরুত্ব দাও। থাকে।
Please wait 7 seconds to access content...
Comments
Post a Comment