প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন..more.

 


প্রাচীন রোমের এক ব্যক্তি ছিলেন সাইমন (Cimon)। তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়—শাস্তি ছিল ভয়ংকর








প্রাচীন রোমে এক ব্যক্তি ছিলেন—সাইমন (Cimon)। এক অ-পরাধের দায়ে তাকে দেওয়া হয় মৃ/ত্যুদণ্ড। তবে সেই মৃ/ত্যুদণ্ড ছিল অত্যন্ত ভয়ংকর—তাকে কা*রাগারে বন্দি করে রাখা হবে, কিন্তু খাবার বা পানির কোনো ব্যবস্থা করা হবে না। ধীরে ধীরে অনাহারে মা/রা যাওয়াই ছিল তার শা**স্তি।




কারাগারে তার সঙ্গে দেখা করার অনুমতি ছিল শুধু তার মেয়ে পেরো (Pero)-র। কিন্তু প্রতিদিন কারাগারে ঢোকার আগে প্রহরীরা তাকে কঠোরভাবে তল্লাশি করত, যাতে সে কোনোভাবেই খাবার বা পানি ভেতরে নিয়ে যেতে না পারে।


কিন্তু পেরো তখন সদ্য মা হয়েছে। বাবাকে বাঁচানোর জন্য সে বের করেছিল এক অবিশ্বাস্য উপায়।


প্রতিদিন কারাগারে এসে সে নিজের বুকের দু/ধ বাবাকে পান করাত। এইভাবেই অনাহারে মৃ/ত্যুদণ্ড পাওয়া সাইমন ধীরে ধীরে বেঁচে থাকতে থাকেন।




কিছুদিন পর কারারক্ষীরা অবাক হয়ে লক্ষ্য করল—যে মানুষটিকে অ/নাহারে মা/রা যাওয়ার কথা, সে এখনও বেঁচে আছে! বিষয়টি তাদের কাছে রহস্য হয়ে দাঁড়ায়। অবশেষে একদিন ধরা পড়ে সেই সত্য


সবাই ভেবেছিল—এবার হয়তো শা/স্তি আরও কঠোর হবে


কিন্তু ঘটল ঠিক উল্টোটা।






মেয়ের এই অসীম আত্মত্যাগ, নিঃস্বার্থ ভালোবাসা এবং বাবাকে বাঁচানোর আকুল চেষ্টা দেখে বিচারক, কারারক্ষী, এমনকি পুরো রোম সমাজ মুগ্ধ হয়ে যায়।


শেষ পর্যন্ত সাইমনকে ক্ষমা করে মুক্তি দেওয়া হয়।




এই ঘটনাটি ইতিহাসে এক অনন্য উদাহরণ হয়ে আছে—যেখানে এক মেয়ের ভালোবাসা ও আত্মত্যাগ মৃ/ত্যুর শা**স্তিকেও পরাজিত করেছিল

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more