বা’চ্চা নিতে হলে জামা খু/ল/তে হবে….see more

Image
     সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন এমন দম্পতিদের অনেকের মনেই প্রজনন স্বাস্থ্য ও গর্ভধারণের প্রক্রিয়া নিয়ে নানা প্রশ্ন থাকে। এ বিষয়ে সঠিক তথ্য জানা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচলিত অনেক ধারণা বিভ্রান্তিকর হতে পারে। গর্ভধারণ সাধারণত তখনই সম্ভব হয়, যখন পুরুষের শুক্রাণু ও নারীর ডিম্বাণুর মিলন ঘটে। স্বাভাবিকভাবে এ প্রক্রিয়ার জন্য স্বামী-স্ত্রীর যৌন সম্পর্ক প্রয়োজন হয়। শুধু পোশাক খোলা বা কোনো নির্দিষ্ট কাজ করলেই গর্ভধারণ হয়—এমন ধারণা সঠিক নয়। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলে দম্পতিদের নিজেদের শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতির পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের দিকে নজর দেওয়া উচিত। পুষ্টিকর খাবার, পর্যাপ্ত ঘুম, ধূমপান ও ক্ষতিকর পদার্থ এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা গর্ভধারণের প্রস্তুতিতে সহায়ক হতে পারে। নারীর মাসিক চক্র ও ডিম্বস্ফোটনের সময় সম্পর্কিত ধারণা থাকাও গর্ভধারণের সম্ভাবনা বুঝতে সহায়তা করতে পারে। তবে প্রত্যেক নারীর চক্র এক রকম নয়। দীর্ঘদিন চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হলে দম্পতির উচিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া। প্রয়োজন হলে উভয়ের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে সম্ভাব্...

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….

 

 

 


একজন মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও তার ম.'রদেহের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। কিন্তু নড়াইলের লোহাগড়ায় ঘটে যাওয়া একটি অভিযোগ সেই মা.'নবিকতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।



লোহাগড়া উপজেলার ছাগলছেঁড়া গ্রামে ১৭ বছর বয়সী গৃহবধূ সাদিয়া আক্তার লামিয়ার ম.'রদেহ উদ্ধারের পর থানায় নেওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছিল। রাতে থানায় নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ম.'রদেহটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই ছিল।




পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে এ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ গাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ম.'রদেহের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাদিয়ার মা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে পরিবারের দাবি।




পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই সময় এ্যাম্বুলেন্সের জানালাগুলো গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত চালককে আটক করে গণপি.'টুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।




সাদিয়ার মায়ের অভিযোগ,


“আমার মেয়ের ম.'রদেহের সঙ্গেও এমন আচরণ মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”




সাদিয়া আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। কিন্তু তার ম.'রদেহের প্রতিও যদি শেষ সম্মানটুকু নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে আমাদের সমাজের মানবিকতা কোথায়?একবার চিন্তা করছেন।


 


আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more