৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...more

Image
     স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালে মমিন মিয়ার সাথে তিশার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হয়। পরে মমিন কাজের জন্য তিশাকে বাড়িতে রেখে সৌদি আরবে চলে যান। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবে প্রবাসে রয়েছেন। স্বামী প্রবাসে থাকায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একই এলাকার সাকিন মিয়ার ছেলে সিঙ্গাপুর প্রবাসী সিয়াম মিয়ার সাথে তিশা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দীর্ঘদিনের এই ভার্চুয়াল সম্পর্ক একসময় গভীর প্রেমে রূপ নেয়। কিছুদিন আগে সিয়াম সিঙ্গাপুর থেকে ছুটিতে দেশে আসেন। তারপর সিয়ামের আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিশা তার সংসার ফেলে বুধবার রাতে সিয়ামের বাড়িতে চলে যান। পরে সিয়াম তিশাকে রেখে বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। তারপর থেকেই বিয়ের দাবিতে তিশা সিয়ামের বাড়িতে অনশন শুরু করেন। বিষয়টি প্রথমে তাদের পরিবারের মধ্যে থাকলেও বৃহস্পতিবার রাতে পুরো এলাকায় চঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে মমিন মিয়ার মা বলেন, “যে মেয়ে বাচ্চা সংসার ফেলে প্রেমিকের কাছে চলে গেছে তার প্রতি আমাদের কোন মায়া, ভালোবাসা, অধিকার নেই। এই মেয়েকে আমরা আর ঘরে তুলব না।” তবে সিয়াম ও তার বাবা সাকিন মিয়া বাসা থেকে পলাতক থাকাই তাদের সাথে যোগাযোগ করা যায়নি এবং সিয়ামের মা কোন ক...

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে…more

  

 

 


একজন মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়ার পরও তার ম.'রদেহের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা আমাদের মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব। কিন্তু নড়াইলের লোহাগড়ায় ঘটে যাওয়া একটি অভিযোগ সেই মা.'নবিকতাকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।



লোহাগড়া উপজেলার ছাগলছেঁড়া গ্রামে ১৭ বছর বয়সী গৃহবধূ সাদিয়া আক্তার লামিয়ার ম.'রদেহ উদ্ধারের পর থানায় নেওয়ার জন্য একটি অ্যাম্বুলেন্সে রাখা হয়েছিল। রাতে থানায় নেওয়া সম্ভব না হওয়ায় ম.'রদেহটি অ্যাম্বুলেন্সের ভেতরেই ছিল।




পরিবারের অভিযোগ, গভীর রাতে এ্যাম্বুলেন্সচালক সাগর শেখ গাড়ির ভেতরে অবস্থান করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ম.'রদেহের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের চেষ্টা করেন। বিষয়টি দেখতে পেয়ে সাদিয়ার মা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে পরিবারের দাবি।




পরিবারের আরও অভিযোগ, ওই সময় এ্যাম্বুলেন্সের জানালাগুলো গামছা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল। পরে স্থানীয়রা অভিযুক্ত চালককে আটক করে গণপি.'টুনি দিয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।




সাদিয়ার মায়ের অভিযোগ,


“আমার মেয়ের ম.'রদেহের সঙ্গেও এমন আচরণ মেনে নিতে পারছি না। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।”




সাদিয়া আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। কিন্তু তার ম.'রদেহের প্রতিও যদি শেষ সম্মানটুকু নিশ্চিত করা না যায়, তাহলে আমাদের সমাজের মানবিকতা কোথায়?একবার চিন্তা করছেন।


 


আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করা জরুরি।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more