একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও...more

Image
    একজন স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই — ইসলামের সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি আরও পড়ুন 👇👇 স্ত্রীর গো*পন অ*ঙ্গে*র দিকে তাকিয়ে সহ*বাস করা কি জায়েজ? স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক হলো ভালোবাসা, বিশ্বাস, পবিত্রতা ও পারস্পরিক সম্মানের সম্পর্ক। অনেক সময় সামাজিক মাধ্যমে বিভিন্ন কথা ছড়ানো হয়, যেমন— “স্ত্রী তিনটি জায়গায় উ*ল*ঙ্গ হলেও গুনাহ নেই”। এই বিষয়টি সঠিকভাবে বুঝতে হলে ইসলামের মূলনীতি জানা জরুরি। ইসলামে স্বামী-স্ত্রীর জন্য বৈধ উন্মুক্ততা স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে পরস্পরের জন্য শরীর বৈধ। অর্থাৎ তারা একে অপরের সামনে সম্পূর্ণ উ*ল*ঙ্গ হতে পারে। এতে কোনো গুনাহ নেই। আল্লাহ তাআলা বলেনঃ > “তারা তোমাদের জন্য পোশাক এবং তোমরা তাদের জন্য পোশাক।” — সূরা আল-বাকারা: ১৮৭ এই আয়াত দ্বারা বোঝানো হয়েছে, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের নিকটতম ও নিরাপদ সম্পর্ক। স্ত্রী যে তিনটি স্থানে উ*ল*ঙ্গ থাকতে পারে (স্বামীর সামনে) ১. শয়নকক্ষ বা ব্যক্তিগত কক্ষ স্বামীর সঙ্গে নির্জনে নিজের ঘরে স্ত্রী উ*ল*ঙ্গ থাকলে এতে কোনো গুনাহ নেই। বরং বৈবাহিক সম্পর্কের স্বাভাবিক অংশ। ২. গোসলখানা বা বাথরুমে স্বামীর উপস্থিতিতে বা স্বা...

বাবা মেয়ে হসপি’টালে গেলে টে’স্টের রি’/পোর্ট দেখেই...More

 


মেয়ের শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে দুশ্চিন্তায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন বাবা। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী বিভিন্ন টেস্ট করানো হয়। কিন্তু রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর সেটি দেখে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে তৈরি হয় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।


প্রথমে বিষয়টি সাধারণ একটি স্বাস্থ্যগত সমস্যা বলেই মনে করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট পাওয়ার পর চিকিৎসক বিষয়টি বিস্তারিতভাবে দেখেন এবং পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে পরিবারকে জানান।


রিপোর্টে ঠিক কী পাওয়া গেছে, তা নিয়ে পরিবারের মধ্যে নানা প্রশ্ন তৈরি হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে না যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। অনেক সময় কোনো একটি পরীক্ষার ফলাফল দেখেই রোগ নির্ণয় করা যায় না; প্রয়োজন অনুযায়ী আরও পরীক্ষা, শারীরিক পরীক্ষা ও চিকিৎসকের মূল্যায়ন দরকার হতে পারে।


মেয়ের পাশে থাকা বাবা পুরো পরিস্থিতিতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়লেও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করেন। পরিবারের অন্য সদস্যরাও তাকে মানসিকভাবে সাহস জোগান।


ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা ধরনের দাবি ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে কোনো রোগ বা স্বাস্থ্যগত সমস্যার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য ছাড়া অনুমান করা উচিত নয়। চিকিৎসকের মূল্যায়ন ও নির্ভরযোগ্য মেডিকেল রিপোর্টের ভিত্তিতেই প্রকৃত অবস্থা জানামেয়েটির সুস্থতার জন্য পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে চলছেন। টেস্টের রিপোর্টকে ঘিরে তৈরি হওয়া উদ্বেগের মধ্যেও এখন তাদের মূল লক্ষ্য—সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠা। সম্ভব।

Comments

Popular posts from this blog

৯ বছর পর প্রবাসী স্বামীকে পেয়ে বিমান বন্দর থেকে উল্লাসে উপরে উঠে স্বামীর মেরুদণ্ড ভে...See More

ঔ’ষ’ধ খেলে আমি পা/গ/ল হতাম, তারপর স্বামী.... See more

মৃ.'ত্যুর পরও রেহাই পেল না ১৭ বছরে….See more